বিনোদন ডেস্ক :
২০০ কোটির প্রতারণার মামলায় এখন তদন্ত চলছে জ্যাকলিনকে নিয়ে। প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে পদে পদে জড়িয়েছে অভিনেত্রীর নাম। সম্প্রতি ‘কিক’ অভিনেত্রীর আইনজীবী জানালেন জেলে বসেই একটা চিঠি লিখেছে সুকেশ। যাতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে এসব প্রতারণায় কোনো হাত নেই জ্যাকলিনের। আর এই চিঠির প্রসঙ্গ তুলেই আইনজীবী দাবি করলেন তার মক্কেল লড়াই চালিয়ে যাবে নিজের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করতে।
সম্প্রতি ইডির পক্ষ থেকে জ্যাকলিনের জামিনের দাবির বিরোধিতা করে বলা হয়েছে তদন্তে কখনো সাহায্য করেননি এই নায়িকা। একমাত্র তখনই মুখ খুলেছেন তখন তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রমাণ তুলে ধরা জেরা করা হয়েছে। সঙ্গে ইডির এটাও দাবি যে নিজের ক্ষমতাবলে মামলা নয়ছয় করার ক্ষমতাও তার রয়েছে।
আর এবার জ্যকলিনের আইনজীবী প্রশান্ত পাটিল তুলে ধরলেন সেই চিঠিখানা যেটা সুকেশ জেল থেকে পাঠিয়েছিলেন নিজের আইনজীবীকে। দাবি করলেন, এই চিঠির উপরে ন্যায্য তদন্ত হওয়া উচিত।
তাকে বলতে শোনা যায়, এই চিঠি যদি সুকেশ চন্দ্রশেখর নিজে লিখে থাকে তাহলে তার অভিযোগগুলো নিয়ে স্বচ্ছ এবং তদন্ত করা উচিত ইডির। তার দাবি, সুকেশের বলা কথার উপর ভিত্তি করে সবটা খতিয়ে দেখা উচিত। সুকেশের স্টেটমেন্ট রেকর্ড করে তদন্ত চালানো উচিত যাতে সত্যিটা জলদি সামনে আসে।
নিজের মক্কেল জ্যাকলিনকে নির্দোষ দাবি করে প্রশান্ত পাটিলকে বলতে শোনা যায়, যে কোনো তদন্তের আসল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সত্যিটা খুঁজে বের করা। অভিযুক্তর কাছ থেকেও যদি কোনো তথ্য মেলে তাহলে সেটাও এজেন্সির খতিয়ে দেখা উচিত। আমি আবারো বলছি আমার ক্লায়েন্ট নির্দোষ। সমস্ত আইন মেনে তিনি নিজের মর্যাদা ফিরে পেতে লড়াই করবে।
প্রসঙ্গত সুকেশ তার চিঠিতে লিখেছিলেন, যা তার আইনজীবীর পক্ষে দেওয়া হয়েছিল মিডিয়াকে, এটা খুব দুর্ঘাগ্যজনক যে আর্থিক তছরুপের মামলায় জ্যাকলিনকে অভিযুক্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। আমাদের মধ্যে একটা সম্পর্ক ছিল। আমি যদি ওকে বা ওর পরিবারকে কোনো উপহার দিয়ে থাকি তবে তাতে ওর কী দোষ। ও ভালোবাসা ছাড়া, আমাকে পাশে চাওয়া ছাড়া আর কিচ্ছু চায়নি কখনো।
Leave a Reply